Thursday, May 20, 2021
তার ছোট পৃথিবী পাক না খুঁজে আকাশের বিশালতা!
Sunday, March 07, 2021
ছোট্ট একটি স্বপ্ন দেখি...
একটি প্রশান্ত বিকেল। ছোট একটি ব্যালকনির একপাশে ছোট্ট সাজানো একটি বাগান। একপাশে একটি ছোট টেবিল। একটি চায়ের মগ। কিছু বই। হয়তো - একটি খোলা ল্যাপটপ। আর...স্বপ্নিল চোখে চায়ের মগে একটি প্রশান্ত চুমুক। একটা মুহুর্ত...
মানুষ কি এর থেকে বেশি স্বপ্ন দেখে? আমার কেন যেন মনে হয় মানুষের স্বপ্ন খুব বেশি আকাশচুম্বী নয়। আকাশচুম্বী দালান...আচ্ছা থাক, দশ-বারো তলা দালান, গ্যারেজে দুই-তিন ব্র্যান্ডের গাড়ি; এ সবের স্বপ্ন মানুষ হয়তো দেখে; কিন্তু সবই একটি 'প্রশান্ত' চুমুকের মুহুর্তটির জন্য। শুধু প্রশান্তির জন্য...গর্বের প্রশান্তি...মালিকানার প্রশান্তি...
ভাবছি...আলহামদুলিল্লাহ, এতো স্বপ্ন তো দেখা হয়নি; যে কোন কারণেই হোক। কোন স্বপ্নই হয়তো দেখিনি। তবু মানুষের চাওয়ার সাথে আমার পাওয়ার কীভাবে মিল হয়ে গেলো!...আলহামদুলিল্লাহ ফর এভরিথিং...
হতে পারে, সবই বিজ্ঞাপনের ছবির মতো খাপে খাপে মিলেনি; হতে পারে টেবিলটা আরএফএলের নয়, অথবা বাগানের সব গাছেই হয়তো ফুল নেই; অথবা পর্দাঘেরা ব্যালকনি হয়তো শহরের দালানের কঙ্কাল থেকে আমার চোখ হেফাযত করছে; কিন্তু চায়ের মগে 'প্রশান্তি'র চুমুক তো আছে! ঐ নীল আকাশের অসীম বিস্তৃতি তো আছে; স্বপ্নিল চোখে হারিয়ে যেতেও কি বাধা আছে? আলহামদুলিল্লাহ ফর এভিরিথিং...
যে একটা মুহুর্তের স্বপ্ন মানুষ দেখে, যেভাবেই হোক সেই একটা মুহুর্ত যদি পেয়ে যাই; আর কী লাগে?
নাহ, আমি এতোটা অল্পেতুষ্ট নই। শুধু ভাবছি, স্বপ্নকে বাস্তবমন্ডিত করার ক্ষমতা আমার না থাকতে পারে; শুধু এ কারণেই আমি স্বপ্ন না-ও দেখতে পারি; কিন্তু আমার আল্লাহর তো বাধা নেই - সব স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেবার!
তবে একটা স্বপ্ন আমি দেখি - হ্যাঁ! সবুজের প্রান্তরে নীল আকাশে হারিয়ে যাবার; ঘুমিয়ে যাবার, যে ঘুম থেকে কোন ব্যস্ততা, কোন সময়ের তাড়া ডেকে তুলবে না...
আমার যোগ্যতা নেই, ক্ষমতা নেই স্বপ্নকে সত্য পাওয়ার...আমার রবের তো আছে!
আরেকটা স্বপ্ন দেখি...চুপিচুপি বলে যাই?
জানো, আমি স্বপ্ন দেখি আমি...চীনের অলিগলিতে, আকাশে-বাতাসে, ঘরে-ঘরে একদিন আজানের ধ্বনি বেজে উঠবে...
আমি জানি, আমার ক্ষমতা নেই; কিন্তু স্বপ্ন দেখার ক্ষমতা আছে...
আর জানো, আমার আল্লাহর কিন্তু ক্ষমতা আছে...
Tuesday, November 10, 2020
বই কথা বলেঃ কাশগড় - ৩
৬.
বয়কট! বয়কট!
আমরা যে আমাদের নবীকে খুউউব ভালোবাসি! তাই সহ্য করতে পারিনি। বয়কট করে দিয়েছি ঐ ফ্রান্সকে, যে রাষ্ট্রীয়ভাবে আমাদের ভালোবাসার জায়গা, আমাদের নবীকে অপমান করেছে। যতদিন বেঁচে থাকবো, এই কুলাঙ্গার ফ্রান্সের কোনকিছু খাবো না, ব্যবহার করবো না...
সত্যিই! সত্যিই!!
সত্যিই আমাদের ঈমান এতোটাই দৃঢ়?
আমরা কি আমাদের দাবিতে সত্য? সত্যিই সত্য?
ভাই, আমাদের হাবীব বেঁচে থাকলে; কী নিয়ে কাঁদতেন? কী নিয়ে ভাবতেন? তুমি তাঁর চিন্তার জায়গা, তাঁর ভালোবাসার বিষয়, তাঁর ফিকির - কিছুই বুঝলে না, এমনকি বুঝবার চেষ্টাও করলে না; কেমন ভালোবাসা তোমার?
সত্যিই কেমন ভালোবাসলাম তাকে?
তাঁর কল্পিত চিত্রের অপমানে আমরা একতাবদ্ধ হয়ে একটা দেশকে বয়কট করেছি।
যে দেশ তাঁর রবের কালামকে শুধু অপমান নয়, চরম অপমান করেছে, তাঁর সুন্নাহ পালনের জন্য নির্মম থেকে নির্মমতর আচরণ করেছে; যে দেশ তাঁর ভালোবাসার উম্মাতের একটা অংশকে নিঁখুতভাবে নিঃশেষ করে দিচ্ছে; যে দেশ তার অনুসরণকে ব্রেইন ডিফেক্ট হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যে দেশ তার চক্ষুশীতলতার জায়গা নামাযকে নিষিদ্ধ করেছে কেবল তা-ই নয়, চরমভাবে নজরদারি করে লুকিয়ে নামাজ পড়ার স্বাদ থেকেও বঞ্চিত করছে...ভাই, এসব বিবরণ শেষ হবে না...
আমরা পারবো সে দেশকে বয়কট করতে? নাকি 'দুয়া'র অজুহাতে বরাবরের মতো পালিয়ে যাবো?
ফ্রান্সের পণ্যের মতো ঘৃণা করে যদি নিজ ব্যবহার থেকে সব চায়না প্রোডাক্ট বর্জন করতে না পারি; নতুন পণ্য কেনা কি বন্ধ করতে পারবো?
আমরা যদি এক হই, নিশ্চিতভাবে চায়না ধ্বসে পড়বে ইনশাআল্লাহ। পারবো? পারবো?
আমরা আমাদের ঈমানের মজবুতি এখান থেকেই যাচাই করে নিতে পারি। কতটুকু ভালোবাসি আমরা মুহাম্মাদ সা. কে?
আর আজ যদি এড়িয়ে যাই, তার ফলশ্রুতি কতোদিন এড়াতে পারবো? আল্লাহ না করুন, শাস্তি যদি চলে আসে; আমরা তখন আমাদের ভুল স্বীকার করে কী হবে?
মৃত্যুর আগে শেষ লাথি তো উম্মাহর অনেকেই মারছে। অনেক তো হলো, আর চোখ বন্ধ করে কার উপকার করবো?
আমরা কিচ্ছু করবো না।
শুধু আমাদের উম্মাহর আগামী প্রজন্মকে একটি সোনালি ভবিষ্যত উপহার দিবো, বোমা-বারুদের ধোঁয়ায় ঢাকা ভবিষ্যত না, মা-বাবা থেকে আলাদা করা ভবিষ্যত না, রক্ত আর রক্তের, দাঙ্গা আর দাঙ্গার ভবিষ্যত না; আমরা উপহার দিবো স্বপ্নের শান্ত ভবিষ্যত, পারবো না?
আমাদের রোহিঙ্গা ভাই-বোনের শুধু নিজের ভূমিটা ফিরিয়ে দেবো, পারবো না? বাড়তি কোন জায়গা দেবো না, কেবল নিজের ভূমি।
আচ্ছা তা-ও অন্যায়? ঠিকআছে, তার ভাই-ভাই হয়ে থাকুক আমাদের সাথে; আমরা শুধু আমাদের আসামের ভাই-বোনদের রক্ত ঝরতে দেবোনা। পারবো না?
আমরা যিনজিয়াং রহস্য উন্মুক্ত করবো, পারবো না?
কোনটাই পছন্দ হচ্ছে না?
আচ্ছা, আমাদের (ভৌগোলিক) দেশে কোন কালো হাতের ছায়া পড়তে দেবো না। এতটুকুও কি পারবো না?
জাগ্রত উম্মাহ! হে উম্মাহ! এতটুকুও পারবো না? এতটুকুও না?
কেবল মৃত্যুর আগে ঘৃণা নিয়ে শেষ লাথিটুকু? এ-ও জীবন?
বই কথা বলে: কাশগড় - ২
Saturday, November 07, 2020
স্বপ্নে সহসা
ইনশাআল্লাহ,
একদিন সব ব্যথা ঠেলে
পৌঁছে যাব ঐ উদ্যানে।
যেখানে সবুজ প্রান্তরে পরম শান্তি মেশে
নীল আকাশের স্বচ্ছতায়।
ত্যাগও কতোটা আনন্দের হয়, তা
প্রিয়র জন্য কষ্ট টেনে নেওয়া ঐ পাখিরাই জানে ।
Monday, November 02, 2020
বই কথা বলে: কাশগড় - ১
আমি লিখতে বসেছি, কারণ আমি জানি আমার লেখা দরকার, কিছু বলা দরকার। হয়তো কী বলতে চাইছি তা প্রকাশ করতে পারবো না, হয়তোবা লেখা পড়ে তুমি সুসাহসী আমার বোকামি দেখে মুচকি মুচকি হাসবে; তবু আমার কিছু বলা দরকার, আমার জন্যই দরকার। তোমার জন্যও..
অচছা, তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞাসা করি? তুমি কি আযান শুনে কখনো কেঁদেছ? হাসি আসছে? আচছা, একটু হেসে নাও, এখন তো পরিবেশ শান্ত আছে; কিন্তু আমার একটা অনুরোধ রাখবে? একটু পর যে আযান হবে, মন দিয়ে শুনবে, প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত; প্রতিটি শব্দ অনুভব করে..পারবে না?
আচছা, তুমি কখনো অনুভব করেছ; একটু পর পর 'আল্লাহু আকবার' ধ্বনি যে তোমার কানে বেজে ওঠে, তা কতটা সৌভাগ্যের, কতোটা আনন্দের?
আচছা, করোনাভাইরাসের অজুহাতে মসজিদগুলো যখন খালি হয়ে ছিল; আযান হতো, কিন্তু তাতে সাড়া দিয়ে কেউ মসজিদে যেতে পারতো না..তখন কি তোমার কান্না আসতো?
তুমি কি সত্যিই অনুভূতিহীন? আচছা, এক মুআজ্জিন যে ডুকরে ডুকরে কাঁদতে কাঁদতে আযান দিচ্ছিলেন, ওটা কি তুমি শুনছিলে? শাইখ আস-সুদাইস যে শূন্য মাসজিদুল হারামে ইমামতি করতে গিয়ে কাঁদছিলেন, ওটাও শোনা হয়নি? সবটাই কি তোমার কাছে অবিবেচকদের হাস্যকর কাণ্ডকারখানা ছিল?
আসলে কি জানো, ওটা বড় একটা সুযোগ ছিল নিজেকে, নিজের স্বরূপটা বুঝে নেবার..
১.
আচছা আমাকে বলবে, ঠিক কোন ভাষায় তোমাকে বোঝাতে পারবো? কোন ভাষায় বললে তুমি আমার কথাগুলো বুঝতে পারবে? আমাকে বলো, আমি ঠিক সে ভাষায় তোমাকে বলব। ঠিক সে ভাষায় বলবার চেষ্টা করবো, বিশ্বাস করো।
আচছা ভাই, তুমি কি সেই, যাকে পুরুষ বলে, যাকে মানুষ উম্মাহর কান্ডারী মনে করে? তোমাকে নিয়ে একটু কল্পনার জগতে ঘুরিয়ে নিয়ে আসতে চাই। যাবে? শুধু এতটুকু খেয়াল রেখো, তোমার কাছে এখন যা শুধু 'কল্পনা', তা-ই ঠিক তোমার মতো অনেকের কাছে চরম বাস্তবতা। চলো..
আচছা, কেমন লাগবে তোমার? যদি একটা শীতল চোখ তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে তোমাকে খুব সাধারণ একটা প্রস্তাব দেয়, রাজি হও,নয়তো তোমার মাকে নিয়ে যাবো..কোথায়? তোমার জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন নেই, তুমি জানো তারা কোথায় নিয়ে যেতে চায়।
শীতল চোখের আহবান প্রত্যাখ্যান করা তোমার মেরুদণ্ড সহ্য করবে কীভাবে? তুমি রাজি হয়ে গেলে..তারপর, একে একে নিজের বোন, বোনের পরিবার, তার জীবনসঙ্গীর পরিবার, যাকে পারলে..কেউ হয়তো লুকিয়ে ছিলো, তাকে বের করে এনে তুলে দিলে তাদের হাতে, কেউ দেশের বাইরে ছিলো তাকে ডেকে এনে দিলে..শত শত মা, শত শত বোন; নিজ হাতে তাদের ভবিষ্যত্ গড়ে দিলে..
মনে হচছে বেশি বলছি? একটুও না, অনেক অনেক কম বলছি..আমি জানি অনেক কম করে বলছি, তবু বলছি..বলবো বলে, বলতে হবে বলে..
তারপর? যেদিন তোমার মাকে নিয়ে তারা উপস্থিত হতে বলল..সেদিন তোমার মন কী বলছিল? আমি নিশ্চিত, তোমার হৃদয় শূন্য ছিল..আমি বরং আরো যুক্ত করবো- আমাকে বলো, তোমার প্রাপ্য কী ছিল?
ভাই, দুটো অনুরোধ করবো, রাখবে? হয়তো হাসবে এখন, তবু মনে রেখো..
যদি অবস্থা চলে আসে, আল্লাহ না করুন, যদি চলে আসে কখনো আযান বন্ধ হতে দিও না..
একটু চোখ বন্ধ করে ভাবো, একটু নাহয় সময় নাও - সময় নিয়ে বিশ্বাস করে নাও; মুসলিম নামে যত বোন আছে, সবাই তোমার নিজের বোন; যতো মা আছে সবাই তোমার নিজের..
একটা কথা দিতে পারবে? যদি আল্লাহ না করুন, অবস্থা চলে এলে তুমি বেঁচে থাকতে একটা পশুও তোমাকে ডিঙিয়ে তাদের পর্যন্ত পৌঁছতে না পারে..কথা দিয়ে যাও, পারবে না?
https://www.aljazeera.com/features/2019/2/1/exposed-chinas-surveillance-of-muslim-uighurs
......
আচছা আপু, তোমাকে কোথাও ঘুরিয়ে আনবো না। জানো ভাবলে কেমন যেন লাগে, একসময় কিছু 'পুরুষ' ছিলেন; একজন নারীর ক্ষীণ আর্তনাদে তারা, শত শত বরং লাখ লাখ 'তাদের' জীবনবাজি রেখে দাঁড়িয়ে যাবার সাহস ছিল। কিন্তু এখন?
জানো কেমন কষ্ট লাগে, সাহাবীরা যখন হুযুর সা. এর সাথে যুদ্ধে বেরোতেন; রত্নের মতো করেই তারা নারীদের পিছনে সুরক্ষিত রেখে আসতেন। যুদ্ধের কদর্যতা তাদের ছুঁতে পারতো না। এখন যুদ্ধ মানেই...আর ঐ মহাপুরুষদের উত্তরপুরুষরা নিজ হাতে তাদের আত্মসম্মানবোধকে পশুর কাছে বিকিয়ে দিতে খুব বেশি কুন্ঠিত হয় না...
এখন তারা সামান্য দেশীয় হায়েনা থেকেই বাঁচাতে পারে না, আর কি বলার আছে? আর কি ব্যাখ্যা করার আছে?
ওরা হায়েনা নয়, অন্য কোন পশুও নয়; ওরা এমন, যার উপর যেকোন পশু মলত্যাগ করতেও ঘৃণা করবে...জানো, ওরা...
https://www.businessinsider.com/china-uighur-monitor-home-shared-bed-report-2019-11
থাক আর কিছু বলতে রুচিতে কুলাচ্ছে না। আমার সাথে একটা প্রতিজ্ঞা করবে? আল্লাহ না করুন, যদি অবস্থা চলে আসে, আমরা হাতে হাত ধরে শেকল তৈরি করবো। একজনকেও একলা নিতে দেব না; আমরা আলাদা করে কেউ হবো না, সবাই এক অস্তিত্ব হবো। পারবো না?
পারতে হবে না? আপু শোন, তুমি এখন নারী আন্দোলনের অগ্রদূত হতে পারো। কিন্তু জানো, ওরা কিন্তু বিচার করে না কে কতটা নারীবাদী হতে পারলো, কে পোশাকে কতটা উগ্র হতে পারলো, কে ওদের সভ্যতা কতোটা গ্রহণ করতে পারলো। ওরা কী দেখে জানো? ওরা সিসিটিভির ক্যামেরা জুম করে দেখে...তারপর নিয়ে যায়; যাদের নিয়ে যায়, তাদের কেউ ফিরে আসে, কেউ আসে না...
আপু তুমি যদি তাদের একজন হও, যারা এখন 'পশ্চাৎপদ' হতে চায় না বলে বরং আরো কিছু পশু তৈয়ার করছে, নিজ হাতে গড়ছে (ব্যাখ্যা করতে হবে কি?); হয়তো যেদিন প্রয়োজন হবে, তোমার হাত অতটা শক্ত করে ধরতে পারবো না...
২.
বইয়ের পিছনে লেখা 'দূর্বলচিত্তের জন্য নয়' । পড়তে গেলে মনে হয়, বুঝি গল্প পড়ছি, এমন গল্প যেটা লাইন বাই লাইন পড়া কোন সুরুচিসম্পন্ন মানুষের পক্ষে অসম্ভবের মতো।
তবু আমার পক্ষে যদি সম্ভব হতো, প্রতিটি লাইন প্রতিটি মুসলমানকে পড়াতাম। হয়তো তুমি হার্টের রোগী, হয়তো রাতে ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন দেখে জেগে যাবে, হয়তো খাবারের রুচি চলে যাবে, হয়তো বমি আসবে - তাতে কী?
আমাদেরই কেউ কেউ এক অজানা গোপন এক দুনিয়ায় বসে প্রাণপণে হয়তো চাইছে, আমি প্রায় নিশ্চিত তারা চাইছে, পুরোটা দুঃস্বপ্ন হোক। রুচির কথা বাদ দাও, এসব সস্তা রুচিবোধের গল্প করে কী হবে? তারা তো খাবারই পায় না; দিনে একবারের বেশি হাত ধোয়ার তাদের অধিকার নেই, কারাগারের কক্ষের এক কোনায় রাখা একটা বালতি ছাড়া আলাদা একটা বাথরুমের অধিকার নেই; সেই বালতিতেও দিনে দুমিনিটের বেশি অধিকার নেই...
একটু হলেও সচেতন হবে কি? আমরা মুসলমানরা তো এমনই, চোখে ঠুলি পরে আছি। আতঙ্ক, ঘৃণা দিয়ে যদি সচেতনতা আসে, তাহলে খারাপ কি?
......
আমরা ভুলে যাই, আমরা মুসলিম। ওরা ভোলেনা।
আমরা জানি না, আর আমাদের জানবার আগ্রহও নেই, আমাদের কাছে কী সম্পদ আছে; তবে ওরা জানে, খুব ভালোভাবে জানে।